Foroj Gosuler Neyom

ফরজ গোসল এর নিয়ম

Foroj Gosuler Neyom

 

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে যারা আজকের পোস্টটি পড়ছেন সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন,

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা, আমরা আজকে জানবো কিভাবে ফরজ গোসল করতে হয়,

জানতে হলে আপনাকে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে হবে, আপনি যদি ধৈর্য সহকারে সম্পন্ন পোস্ট না পড়েন, তাহলে আপনি কিছুই বুঝতে পারবেন না।তো চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল পড়ায় যাওয়া যাক।

গোসলের ফরজ তিনটি 

(১)কুলি করা (২) নাকে পানি দেওয়া (৩) সমস্ত শরীরের পানি প্রবাহিত করা (ফতোয়ায়ে আলমগীরি,১ম খন্ড ১৩ পৃষ্ঠা)

ফরজ গোসল এর নিয়ম

কুলি করা

মুখের সামান্য পানি দিয়ে সামান্য নড়াচড়া করে ফেলে দেয়ার নাম কুলি নয়।

বরং মুখের ভিতরে প্রতিটি অংশে পানি ও ঠোঁট হতে কণ্ঠনালীর গোড়া পর্যন্ত প্রতিটি স্থানে পানি পৌঁছাতে হবে।

একইভাবে চোয়ালের পিছনে গালের ভিতরস্থ চামড়াতে দাঁতের ছিদ্র ও গোরাতে,

প্রত্যেক পিঠে এবং গলার গভীরে পানি পৌঁছাতে হবে। রোজা অবস্থায় না থাকলে গড়গড়া করা সুন্নত।

দাঁতের ফাঁকে সুপারি দানা বিচির খোসা ইত্যাদি আটকে থাকলে তা বের করে ফেলা আবশ্যক।অন্যথায় ফরজ গোসল হবে না,

আপনি কি বাংলা গজল পছন্দ করেন,তাহলে বাংলা গজল এর অডিও ডাউনলোড করতে, নিচে থাকা লিংকে ক্লিক করুন।

এই লিংকে ক্লিক করুন

Audio

নাকে পানি দেওয়া 

তাড়াতাড়ি নাকের মাথায় সামান্য পানি লাগিয়ে নিলে নাকে পানি দেওয়া বলা যায় না, বরং নাকের ভিতর যতটুকু নরম জায়গা আছে তাতে এবং শক্ত হাড়ের শুরু পর্যন্ত পানি পৌঁছানো আবশ্যক।

আর সেটা এইভাবে হতে পারে যে, নাকে পানি নিয়ে নিঃশ্বাস টেনে উপরে নিয়ে নাকের সম্পূর্ণ স্থানে পানি পৌঁছানো। এটা স্মরণ রাখবেন!

নাকের ভিতর চুল পরিমাণ স্থানও যদি অধৌত থেকে না যায়। অন্যথায় ফরজ গোসল আদায় হবে না

সমস্ত শরীরের পানি প্রবাহিত করা

শরীরে পানি ঢালার আগে, নিয়ত করে নিয়ত করে নিন নিয়ত এইভাবে করুন যে আমি পবিত্র হয়ে আল্লাহ

তাআলার ইবাদত করবে, অতঃপর ডান কাঁদে তিনবার পানি ঢালুন, এরপর বাম কাঁদে তিনবার পানি ঢালুন।

এরপর সম্পূর্ণ শরীরে ভালোভাবে পানি প্রবাহিত করুন,

মাথার চুল থেকে পায়ের তালু পর্যন্ত সম্পূর্ণ শরীরে প্রতিটি অংশে এবং প্রতিটি লোমে পানি প্রবাহিত করা আবশ্যক।

শরীরে কিছু স্থান এমনও আছে যেগুলো সতর্কতার সাথে পানি পৌঁছানো না হলে তার সুস্থ থেকে যায় ফলে ফরজ গোসল আদায় হয় না।

আশা করি আপনি সম্পূর্ণ পোস্টটি পরেছেন,

আপনি এই পোস্ট থেকে কি শিখতে পারলেন তা অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন,

এবং আপনি যদি কোন বিষয় জানতে চান সেটাও আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন। ধন্যবাদ

আপনি যদি নামাজ ভঙ্গের কারণ সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করুন

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *