ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায় মোটা স্বাস্থ্য চিকন করুন

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায়

মৃত্যুর সময় দুর্গন্ধ

আমীরুল মুমীনিন হযরত সায়্যিদুনা উমর ফারুকে আযম বলেন: “নিজেকে পেট ভরে খাওয়া থেকে রক্ষা কর। কারণ পেট ভরে খাওয়াটা জীবনে বোঝা স্বরূপ ও মৃত্যুর সময় এটা হবে দুর্গন্ধ।”

(ইহ্‌ইয়াউল উলূম, ৩য় খন্ড, ৯০ পৃষ্ঠা)

 

 

খাবার বেশি হলে, আয়ও বেশি প্রয়োজন

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সত্যি বলেছেন সায়্যিদুনা উমর ফারুকে আযম (রা.) সত্যিই “পেটের কুলে মদীনা” না লাগানো এবং খুব

বেশি পরিমাণে পেট ভর্তি করে খাওয়াতে তা জীবনের উপর বোঝা হয়ে

থাকে। কারণ খাবার বেশি খেতে হলে, এজন্য আয়ও বেশি করতে হয়। খানার আয়োজনও বেশি করতে হয়। তাই খুব পরিশ্রম করে রান্না করতে

হয়। অতঃপর খেতেও বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়। আবার অনেকক্ষণ

ধরে পেটে এটার বোঝাও বহন করতে হয়। অতিরিক্ত খাবার খাওয়াতে হজম শক্তিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এর ফলে কোষ্টকাঠিন্য, গ্যাষ্টিক জানিনা

আরও কত রকমের পেটের কষ্ট সহ্য করতে হয়।

মোট কথা, অধিক খাওয়াতে মাল-পত্র কেনাতেও খরচ অধিক করতে হয়। জিহ্বার অল্প সময়ের স্বাদ গ্রহণের পর কন্ঠনালীর নীচে যেতেই মজা

লাভের পরিসমাপ্তি ঘটে আর দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত পেটের “গন্ডগোল”-এর যন্ত্রণা

সহ্য করতে হয়। এছাড়া শরীরের মেদ বেড়ে যাওয়াতে ডাক্তার ও ঔষধ ইত্যাদি খরচের বোঝা বহন করতে হয়। তাই এভাবে এসব কিছু বোঝা,

বোঝা আর শুধু বোঝাই হয়। এমন যদি হত! অল্প ক্ষণের স্বাদের জন্য সারাজীবন বোঝা বহন ও মৃত্যুর সময়ের দুর্গন্ধের মত বিপদ থেকে

নিজেকে রক্ষার মানসিকতা তৈরীতে আমরা সফল হয়ে যেতাম!

 

ইসলাম শিক্ষা

 

 

 

 

 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায় মোটা স্বাস্থ্য চিকন করুন

বেশি খাওয়া কাফিরদের বৈশিষ্ট্য

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! শুধুমাত্র নফসের স্বাদ লাভের জন্য কোন কিছু খাওয়া উচিত নয়। সাদরুশ শরীয়া, বদরুত তরীকা হযরত আল্লামা

মওলানা মুহাম্মদ আমজাদ আলী আযমী বলেন: “কুরআনে

কারীমে কাফিরদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে এটা বলা হয়েছে যে, তাদের খাওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে – শুধুমাত্র আমোদ-প্রমোদ ও স্বাদ লাভ করা। আর হাদীসে

পাকে অধিক খাওয়াকে কাফিরদের বৈশিষ্ট্য বলা হয়েছে। (বাহারে শরীয়াত, ১৬তম খন্ড, ৩০ পৃষ্ঠা হতে সংকলিত)

 

চিকন হওয়ার খাদ্য তালিকা

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায় মোটা স্বাস্থ্য চিকন করুন

আমি সবচেয়ে মন্দ

হযরত সায়্যিদুনা ওসমান গণী (রা.) বলেন: “নেক বান্দার

পাঁচটি আলামত রয়েছে: (১) উত্তম সংস্পর্শে থাকেন (২) জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করেন (৩) দুনিয়ার নেয়ামতকে বোঝা ও দ্বীনী

নেয়ামতকে আল্লাহ্ তাআলার অনুগ্রহ মনে করেন (৪) হালাল খাবারও এ ভয়ে পেট ভরে খাননা যে, এতে যদি আবার হারাম খাবার মিশ্রিত থাকে

(৫) নিজেকে ছাড়া প্রতিটি মুসলমানকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রাপ্ত মনে

করেন এবং নিজেকে গুনাহ্গার মনে করে নিজ ধ্বংসের ভয় অনুভব করেন ।” (আল্ মুনাব্বিহাতুলিল আসকালানী, বাবুল খামাসী, ৫৯ পৃষ্ঠা)

 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায় মোটা স্বাস্থ্য চিকন করুন

অনেক দিনের উপবাস

সাহাবায়ে কিরাম ভাড়া ও আওলিয়ায়ে ইযাম ও এর মধ্যে অনেকে কয়েকদিন পর্যন্ত খাবার খেতেন না। যেমন- হুজ্জাতুল

ইসলাম ইমাম মুহাম্মদ গাযালী (রহ.) বলেন: হযরত সায়্যিদুনা

সিদ্দীকে আকবর – ছয়দিন পর্যন্ত কিছু খেতেন না, হযরত সায়্যিদুনা আবদুল্লাহ্ বিন যুবাইর (রা.) সাতদিন পর্যন্ত খেতেন না,

হযরত সায়্যিদুনা আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস হতে শিক্ষা প্রাপ্ত

শিষ্য হযরত আবূ জাওয়া সাতদিন পর্যন্ত উপবাস থাকতেন। হযরত সায়্যিদুনা ইবরাহীম বিন আদহাম ও হযরত সায়্যিদুনা

সুফইয়ান সাওরী প্রতি তিনদিন পর খানা খেতেন। এ সকল মহান ব্যক্তিত্বগণ ক্ষুধার মাধ্যমে আখিরাতের পথ চলার সাহায্য গ্রহণ

করতেন। (ইহুইয়াউল উলূম, ৩য় খন্ড, ৯৮ পৃষ্ঠা)

 

দ্রুত চিকন হওয়ার উপায়

সাধারণ মানুষ কি পরিমাণ খাবে?

সাধারণ মানুষের জন্য এটাই উত্তম যে, যদি বেশি খেতে অভ্যস্তহয়ে থাকেন, তবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে “পেটের কুফলে

মদীনা” লাগিয়ে পর্যায়ক্রমে কমাতে কমাতে পেটের এক তৃতীয়াংশ যাতে

ভরে যায় এতটুকু খাবারকে যথেষ্ট মনে করে আমলে আনার অভ্যাস করেনিবেন। এর ফলে ক্ষুধার বরকতও অর্জিত হবে আর দুর্বলতাও আসবেনা

এবং আশ্চর্যজনকভাবে স্বাস্থ্যও উন্নত হয়ে যাবে। এছাড়া ডাক্তারদের

মোটা অংকের ফিস দেয়া ও ঔষধ কেনার খরচ থেকে অনেকাংশে রক্ষাপাওয়া যাবে। যদি কারো বিশ্বাস না হয়, তাহলে তিনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন,

 

মেয়েদের চিকন হওয়ার সহজ উপায়

 

নারী পুরুষের ওজন কতটুকু হওয়া উচিত

অধিক খাওয়ার একটি প্রধান বিপদ হচ্ছে, শরীরের ওজন বেড়ে

যাওয়া। আর পেট বের হওয়া তো আছেই। আজকাল অনেক লোক এব্যাধিতে আক্রান্ত। ওজনের পরিমাণ নিজ নিজ শারীরিক উচ্চতা অনুযায়ী

হয়ে থাকে। মধ্যম আকৃতির (সাড়ে পাঁচ ফুট অর্থাৎ ৬৬ ইঞ্চি লম্বা)

পুরুষের ওজন ১৫০ পাউন্ড (৬৮ কেজি) ও মধ্যম আকৃতির (সোয়া পাঁচফুট, অর্থাৎ- ৬৩ ইঞ্চি লম্বা) মহিলার ওজন ১৩০ পাউন্ড (অর্থাৎ- ৫৯

কেজি) থেকে কখনো বেড়ে যাওয়া উচিত নয়। নিজের শারীরিক উচ্চতামেপে উপরে দেয়া পরিমাপ অনুসারে যে কেউ ইচ্ছা করলে নিজের

ওজনের হিসাব করে নিতে পারেন।

 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায় মোটা স্বাস্থ্য চিকন করুন

 

মোটা হওয়ার কারণ সমূহ

মনে রাখবেন! যে বেচারা এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাকে

দেখে হাসা, ঠাট্টা করা, অথবা শরীয়াত অনুমোদন ব্যতীত যে কোন ভাবেতার মনে কষ্ট দেয়া হারাম ও জাহান্নামে নিক্ষেপকারী কাজ। এছাড়া এটাও

আবশ্যক নয় যে, শুধু অধিক পানাহারের কারণে পেট বের হয়ে যায়!

অনেক পেট ভরে খাওয়া ব্যক্তিও হালকা-পাতলা গড়নের হয়ে থাকে। যাহোক বসে বসে দীর্ঘক্ষণ লেখা-পড়া করার কারণে বা অফিসিয়াল কাজ

করাতে, হেঁটে চলার পরিবর্তে শুধু মোটর সাইকেল বা কার ইত্যাদি

যানবাহনের মাধ্যমে সফর করাতে, চার যানু হয়ে বসে খাবার খাওয়াতে,চেয়ার টেবিলে পা ঝুলিয়ে খাবার খাওয়াতে, প্রচন্ড গরম খাবার খাওয়াতে,

শরীরের ওজন প্রায় সময় বাম দিকে রাখাতে, যেমন- বসাবস্থায় অথবা

খাবার খাওয়াবস্থায় বাম হাতে মাটিতে ভর দিয়ে, দেয়াল ইত্যাদিতে বাম

পার্শ্ব দিয়ে হেলান দেয়ার অভ্যাস ইত্যাদির কারণেও পেট ও শারীরিকওজন বাড়তে পারে। যে পেটের কুফলে মদীনার উপর আমল করে না

অর্থাৎ খুব ভালভাবে পেট ভর্তি করে খায়, PIZZA পরাটা ও নানা

প্রকারের তেল ও ঘিয়ে ভরা খাদ্য অনবরত গিলতে থাকে, আইসক্রীম ওঠান্ডা পানীয়ও পেটে ভরতে থাকে আর তার ওজনও বেশি এবং পেটও

বের হয়ে আসে। তবে তার এটা বুঝা উচিত, আমি নিজেই আমার ওজনবাড়িয়েছি। লোকেরা সম্ভবত ঠান্ডা পানীয় সামগ্রীকে ক্ষতিকারক নয় মনে

করে, অথচ ২৫০ মিলি লিটারের একটি (ঠান্ডা পানিয়’র) বোতলে প্রায়

সাত চামচ চিনি থাকে। আর আইসক্রীম তো একটি “চিনি বোমা”। ভারী

শরীরধারী ব্যক্তিকেতো ঠান্ডা পানীয় বোতল আইসক্রীমের দিকে দৃষ্টিদেয়াও অনুচিত। কারণ এটা তার জন্য একটি মিষ্টি বিষ! বিশেষতঃ তিনটি

বস্তু শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে। (১) ময়দা (২) চর্বি জাতীয় জিনিস (৩)মিষ্টি জাতীয় জিনিস। আমাদের প্রায় প্রতিটি খাদ্যে এ তিনটি বস্তু পাওয়া

 

যায়। মানুষের শরীরের জন্য দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় এগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণে হওয়াও আবশ্যক। কারো রক্তে সুগার বেড়ে গেলে যেমন অসুস্থ

হয়ে থাকে আবার যার প্রয়োজনের চেয়ে সুগার কম হয়ে যায় সেও অসুস্থ হয়ে যায়।

তাই যে পেট ভরে আহারকারী হবে, তার পেটে এ তিনটি বস্তুর পরিমাণ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি প্রবেশ করবে। যার ফলে তার শরীরের ওজন বৃদ্ধি

পেতে থাকবে আর একারণে অনেক রোগ-ব্যাধিও হওয়া শুরু করবে।

অনেকের জন্মগত ভাবে শারীরিক গঠন এরূপ হয়ে থাকে যে, তারা যতই আহার করুক না কেন শরীর বৃদ্ধি পায় না। হালকা-পাতলাই থেকে যায়।

মানে নিশ্চয় এটা নয় যে, তাদের কোন রূপ ক্ষতিসাধন করেনা। এসব লোকেরা অধিক খাবার খাওয়াতে পেটের গন্ডগোল ও হৃদরোগ ইত্যাদি

হতে পারে। হৃদরোগের কারণ যদিও অধিক খাবার খাওয়ার সাথে সম্পৃক্ত

কিন্তু দুশ্চিন্তার কারণেও হৃদরোগ হতে পারে এবং এতে মানুষ হার্ট-ফেলও করতে পারে। যদি যৌবনেই ময়দা, চর্বি জাতীয় দ্রব্য ও মিষ্টি জাতীয় বস্তু

খাওয়া কমিয়ে দেয়, তবে বৃদ্ধ বয়সে তা উপকারে আসতে পারে।

 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায় মোটা স্বাস্থ্য চিকন করুন

খুব তাড়াতাড়ি চিকন হওয়ার উপায়

 

PIZZA এর ক্ষতি সমূহ

PIZZA ও তৈল, ঘি দ্বারা প্রস্তুত বাজারের বিভিন্ন খাবার (FAST FOOD) খুব দ্রুত শরীরে মেদ সৃষ্টি করে। তা স্বাস্থ্যের জন্য

সীমাহীন ক্ষতিকারক। বাজারের খাবারে প্রায়ই নিমানের ও অনেকদিনের

পঁচা বস্তু ব্যবহার করা হয়। বিশেষতঃ গ্রীষ্মকালে (FUNGUS) নামক জীবাণু বিস্তার লাভ করে। যে কারণে ফুড পয়জনে’র শিকার হয়ে

রোগাক্রান্ত বা মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরব আমারাত (অর্থাৎ- মধ্য প্রাচ্যে) যেখানে হোটেলের খাবারের মান খুবই উন্নত মনে

করা হয়, সেখানকার ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা “খালীজ টাইমজ” এর

২০০৪ সালের ৪ই আগষ্ট সংখ্যার একটি সমালোচনামূলক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে সংযুক্ত আরব আমীরাতের রাজধানী আবূধাবীর হোটেল

গুলোর ফাষ্ট ফুড অর্থাৎ তৈল, ঘি দ্বারা প্রস্তুত খাবার ও বিশেষতঃ PIZZA

এর ব্যাপারে সীমাহীন নিন্দা করা হয়েছে। পত্রিকার ভাষ্যমতে আবূধাবীর প্রায় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সপ্তাহে তিন থেকে চারজন রোগী এমনই

আসছে যারা PIZZA ইত্যাদি খাওয়ার কারণে ‘ফুড পয়জনে’ আক্রান্ত

হচ্ছে। তাদের রোগের মধ্যে বমি, ডায়রিয়া, বদহজম, জ্বর, দুর্বলতা ও বিষণ্নতা ইত্যাদি রয়েছে। এক ডাক্তার বলেন: আগের সপ্তাহে আমার

নিকট তিনজন রোগী এসেছেন, তারা প্রত্যেকেই PIZZA খেয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন দু’দিন পর্যন্ত ক্লিনিকে ছিল। এ রিপোর্টে আরো

অনেক ডাক্তারের বক্তব্য ছিল। প্রত্যেকের অভিমতের মূল কথা এটাই

ছিল, বাজারজাতকৃত খাদ্য ও PIZZA ইত্যাদি খাওয়া মানে রোগ- ব্যাধিকে তৎক্ষণাৎ আলিঙ্গন করা।

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! PIZZA, ফাষ্ট ফুড ও ঘিয়ে ভাজা

খাবার খাওয়াতে রক্তের মধ্যে কোলেক্ট্রলের পরিমাণ বৃদ্ধি কলক্ট্রোলের প্রভাব রক্তের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রগগুলোকে শক্ত ও সংকীর্ণ করে

ফেলে। যার কারণে সর্বদা সরাসরি হৃদপিন্ডের ক্ষতি সাধিত হওয়ার

সম্ভাবনা থাকে। যদি ঐ রোগীর ডায়াবেটিক রোগও থাকে এবং তিনি যদি ধূমপানেও অভ্যস্ত হন, তবে STROKE করার বেশি আশংকা থাকে।

শারীরিক সুস্থতার জন্য নির্ভেজাল ও টাটকা খাবার আর ওজনের সাদৃশ্য

বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরী। কারণ এতে মেদ বৃদ্ধি ও অপ্রয়োজনীয় কোলেক্ট্রল আয়ত্বে রাখতে সহজ হয়।

 

দ্রুত চিকন হওয়ার উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্যের ৪টি চিকিৎসা

কৃতুল কুলূব এর ২য় খন্ডের ৩৬৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত রয়েছে, ছয় ঘন্টার

পূর্বেই যদি খাবার বের হয়ে আসে (অর্থাৎ পায়খানা হয়ে যায়) তবে বুঝতে হবে পাকস্থলী অসুস্থ। আর যদি চব্বিশ ঘন্টা সময় ধরে পায়খানা না হয় তবেও বুঝে নেবেন যে

পাকস্থলী অসুস্থ হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জোড়ার ব্যথা, পেটের বায়ু বের না হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। খালের প্রবাহমান পানি বন্ধ করে দেয়া হলে,

 

কি খেলে চিকন হওয়া যায়

যেভাবে খালের দু’পার্শ্বের ক্ষতি হয়ে থাকে এবং দু’পার্শ্ব ভেঙ্গে পানি প্রবাহিত হয়। অনুরূপভাবে প্রস্রাব পায়খানা বন্ধ করে রাখালে শরীরের

ক্ষতি হয়ে থাকে। নিজের হজম শক্তি ঠিক রাখুন। অন্যথায় মেদ বৃদ্ধির চিকিৎসা করা কঠিন হবে। শাক-সবজি ও ফল-মূল খাবেন। যদি

কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে তবে (১) চার, পাঁচটি পাঁকা পেয়ারা বীচিসহ অথবা (২) যতটুকু সম্ভব পেঁপে খাবেন। পেট পরিস্কার হয়ে যাবে।

(৩) প্রতি চার দিন পরপর চার চামচ ‘ইসবগোলের ভূষি’ বা এক চামচ যেকোন হজমচূর্ণ পানির সাথে মিশিয়ে পান করে নিন। পেট

পরিস্কার হতে থাকবে। প্রতিদিন যদি ইসবগোল বা হজমচূর্ণ ব্যবহার

করেন তবে প্রায়ই এটার প্রভাব নষ্ট হয়ে যায়। (৪) যদি আপনার ডাক্তার অনুমতি দেন, তাহলে দু’তিন মাস পর পর পাঁচদিন পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা

একটি করে ৪০০ মিলিগ্রামের GRAMEX (গ্রমিক্স) 400 M.G

(METRO NIDAJOLE) ব্যবহার করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজমী ইত্যাদি রোগ ও পেটের সুস্থতার জন্য ১৬ এটাকে উত্তম ঔষধ

হিসেবে পাবেন। কিন্তু যখনই এ টেবলেট খাওয়া শুরু করবেন, তখন একাধারে পাঁচদিন পূর্ণ করা জরুরী। খালি পেটেও খেতে পারেন।

বদহজমীর সবচেয়ে উত্তম চিকিৎসা হচ্ছে পেটের কুফলে মদীনা।

 

চিকন হওয়ার খাদ্য তালিকা

বেশি খাওয়াতে যে সকল রোগের সৃষ্টি হয়

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! পেটের কুফলে মদীনা পরিবর্তে বেশি খাবার খাওয়াতে পেট খারাপ হয়ে যায়। প্রায়ই

কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে। প্রবাদ রয়েছে, অর্থাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ-ব্যাধির

মা।” ডাক্তারের কথা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ রোগ পেট খারাপ হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়। এ সব রোগের মধ্যে ১২ প্রকার হচ্ছে এগুলো (১)

মস্তিষ্কের রোগ (২) চোখের রোগ (৩) জিহ্বা ও গলার রোগ (৪) বক্ষ ও ফুসফুসের রোগ (৫) অর্ধাঙ্গ ও মুখের অর্ধাঙ্গ (৬) শরীরের নিম্নাংশ অবশ

হয়ে যাওয়া (৭) ডায়াবেটিক (৮) উচ্চ রক্ত চাপ (৯) মাথার মগজের রগ ফেঁটে যাওয়া (১০) মানসিক রোগ (অর্থাৎ পাগল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি) (১১) কলিজা ও পিত্তের রোগ (১২) হতাশাজনিত রোগ।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বুঝার এবং আমল করার তৌফিক দান করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *